পল্লবীতে শিশু হত্যা

আদালতে অভিযুক্ত সোহেলের দায় স্বীকার, স্ত্রীসহ পাঠানো হয়েছে কারাগারে

পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যায় দায় স্বীকার করেছে অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। আইনজীবীরা বলছেন, বিচার বিভাগ ও পুলিশ বাহিনীর তৎপরতায় জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন করলে এ ধরনের ঘটনার পুনাবৃত্তি হবে না।

আজ বুধবার অভিযুক্ত সোহেল ও তাঁর স্ত্রী আদালতে তোলা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

দ্বিতীয় শ্রেণী শিক্ষার্থী রামিসা। মঙ্গলবার সকালে বড় বোন রাইসা আক্তারকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য এগিয়ে দিতে বের হয় বাসা থেকে। কিন্তু রামিসার আর বাড়ি ফেরা হলোনা।

প্রতিবেশী সোহেল রানার হাতে নৃশংস ভাবে হত্যার শিকার হয় শিশুটি। রামিসা নিখোঁজ হওয়ার ঘন্টা খানেক পর পাশের ফ্ল্যাট থেকেই তাঁর মাথাবিহীন খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

রামিসা হত্যার ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নাকে পল্লবীর বাসা থেকে এবং পরে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, বুধবার সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে তোলা হলে হত্যার দায় শিকার করে সোহেল। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, বিচার বিভাগের বিচারকদের তৎপরতা এবং পুলিশ বাহিনীর তদন্তের তৎপরতার মাধ্যমে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন করলে এ ধরনের ঘটনার পুনাবৃত্তি হবে না।

পুলিশ প্রবিধান নিয়ম মানলে ১৫ দিনের মধ্যেই কঠিন মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব বলেও জানান এই আইনজীবী।