রাজধানীতে কোরবানির প্রায় শতভাগ বর্জ্য অপসারণের দাবি

রাজধানীর কোরবানির প্রায় শতভাগ বর্জ্য অপসারণ হয়েছে বলে দাবি করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাতে আলাদা সংবাদ সম্মেলনে উত্তর ও দক্ষিণের প্রশাসকরা জানান, প্রায় ১৯ হাজার টন বর্জ্য সরানো হয়েছে। আগামী দুদিন ধরে চলবে অবশিষ্ট বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ। এদিকে, কোরবানির চামড়া সড়কের যত্র তত্র ফেলে রাখায় বিপাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পর দুপুর ২টা থেকে শুরু হয় ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ। এবারও ঘোষিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে মাঠে নামেন পরিচ্ছন্নতা-কর্মীরা।

এদিকে, রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার সড়কগুলো থেকে বর্জ্য অপসারণের পর সন্ধ্যা হতে না হতেই সেসব সড়ক চলে যায় চামড়া ব্যবসায়ীদের দখলে। পরিচ্ছন্ন রাস্তায় রূপ নেয় আবর্জনার স্তুপে। পরে সেসব চামড়া জব্দ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। 

তবে এরইমধ্যে প্রায় শতভাগ বর্জ্য পরিষ্কারের দাবি ঢাকা দক্ষিণের কর্মকর্তাদের। রাতে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯টার মধ্যে ৭১টি ওয়ার্ডের শতভাগ ও বাকি ৪টি ওয়ার্ডের ৯৫ ভাগ বর্জ্য সরানো হয়েছে। মোট বর্জ্য সরানো হয় প্রায় ১৩ হাজার টন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘বর্জ্য অপসারণের লক্ষমাত্রা ছিল ১৫ হাজার ৯৩৫ টন। আমরা রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সংগ্রহ করেছি ১২ হাজার ৬৮৪ টন। আমরা যতটুকু বর্জ্য সংগ্রহের আশা করেছি তা অতিক্রম করে যাবে।’ 

বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর-১২ নম্বর থেকে কোরবানির বর্জ্য সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। রাত ৮টা নাগাদ প্রায় ৭ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। গুলশানে সংবাদ সম্মেলেনে প্রশাসক দাবি করেন, দ্রুত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ সফলভাবেই শেষ হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন শফিকুল ইসলাম প্রশাসক বলেন, ‘আমি বলেছি কাজ চলমান আছে। ৬ ঘণ্টায় আমার অনেক কাজ এগিয়ে নিয়ে গেছি। আমরা ৭২ ঘণ্টার টার্গেট নিয়েছি। আমাদের কাজ চলমান আছে।’ 

এবার বর্জ্য অপসারণে ঢাকা উত্তরে ১৬ হাজার এবং দক্ষিণে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করছেন।