রামিসা হত্যা মামলার রায়ে খুশি তার স্কুলের সহপাঠি, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। রামিসার কথা মনে করে এখনো কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তারা। যে নৃশংসতার শিকার হয়েছে শিশুটি, তা যেন আর কারও ক্ষেত্রে না ঘটে, সেই প্রত্যাশা সবার।
রাজধানীর পল্লবীর পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল রামিসা। তার ক্লাসরুমের নাম গোলাপ। ফুলের মতোই নিষ্পাপ শিশুরা ঈদের ছুটির পর এসেছে ক্লাসে। কিন্তু রুমটিতে নেই তাদের সহপাঠী রামিসা। তাই মন খারাপ সবারই।
স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে রামিসাই ছিল প্রথম। শিক্ষকদের প্রশ্নের উত্তরও দিতো সবার আগেই। এ কথা বলে গলা ভারী হয়ে আসে শ্রেণি-শিক্ষকের। শিক্ষকেরা বলছেন, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার।
রামিসার প্রতি নৃশংসতার কথা মনে করে কষ্টে বুক ভারী হয়ে আসছে এলাকাবাসীর। স্থানীয়রা জানান, প্রায়ই বাবার সঙ্গে কাছের দোকানে আসত শিশুটি। তার উচ্ছলতা এখনো চোখে ভাসে সবার।
শিশুরা যেন ঘরেবাইরে সব জায়গায় নিরাপদ থাকে, সে বিষয়ে সরকারকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার দাবি এলাকাবাসীর।