ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  

অবৈধ সম্পদের খোঁজে ডেসটিনি গ্রুপের এমডি রফিকুল আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। সোমবার সকালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুর্নীতির মামলায় ১২ বছর কারাভোগ করে মুক্ত, রফিকুল আমীন দুদকের জাল থেকে এখনো বের হতে পারছেন না। প্রায় দেড় দশক আগে শুরু হওয়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এখনো অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। 

দুর্নীতির মামলায় ১২ বছর জেল খেটে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পান ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীন। গ্রাহকের সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের মামলায় তার কারাদণ্ড হয়েছিল। 

ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বৃক্ষরোপণ ও মাল্টিলেভেল মার্কেটিং প্রকল্পের নামে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৩টি মামলা করেছিল দুদক। 

দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন সাহেবের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তাকে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ডেকেছিলেন। উনি এসেছিলেন। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তার সাথে কথা বলেছেন। 

এবার অবৈধ সম্পদের মামলা রফিকুল আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। ২০১২ সালে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় মামলাটি করেছিল দুদক। সেই মামলার অনুসন্ধানে ডেসটিনির অন্য দুই পরিচালক গোফরানুল ও তৈয়বুরকেও তলব করা হয়। 

দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম আরও বলেন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের আরও দুজন পরিচালককে ডাকা হয়েছিল। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত আয়ের অভিযোগে তদন্ত চলমান থাকার কারণেই ডাকা হয়।  গতকাল সাবেক পরিচালক গোফরানুল হককে ডাকা হয়েছিল। আজকে ডাকা হয়েছিল তৈবুর রহমানকে।  

এদিকে, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বাসস-এর সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও দুদকে হাজির হননি তিনি।