ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নাগরিক সেবা সহজ করতে অ্যাপস চালু 

নাগরিক সেবাকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। মঙ্গলবার ‘ক্লিন কেয়ার’ নামে মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে সংস্থাটি। এর মাধ্যমে নগরসেবার নানা সমস্যা নিয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন নগরবাসী। অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ডিএসসিসি। 

নগরসেবায় ভোগান্তি কমাতে এলো ডিজিটাল সমাধান। একটি অ্যাপেই জানানো যাবে সব নাগরিক সমস্যার কথা। ‘ক্লিন কেয়ার’ নামে অ্যাপ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

অ্যাপে নিবন্ধনের পর ছবি, ভিডিও ও স্থানসহ অভিযোগ পাঠানো যাবে। ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ড্রেন পরিষ্কার, জলাবদ্ধতার মত যেকোন নাগরিক সমস্যার কথা জানানো যাবে এই প্ল্যাটফর্মে। 

ডিএসসিসির তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী ড. শফিউল্লাহ ভূঁইয়া সিদ্দিক বলেন, ভবিষ্যতে নাগরিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এই অ্যাপসের পরিধি আরও  বাড়বে। আমি আশা করি এই অ্যাপসের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। নাগরিকদের সেবা পাওয়াও সহজ হবে। 
 
সিটি করপোরেশনের দাবি, অভিযোগ পাওয়ার সাথেসাথে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে যাবে। সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যা সমাধান করা হবে। অভিযোগের আপডেট তথ্যও জানা যাবে অ্যাপ থেকেই। 

ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর মাহবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, যখন যে সমস্যা সামনে আসবে,২৪ ঘণ্টা আমাদের লোক এখানে থাকবে। অনলাইন চ্যাটিং থাকবে। অনলাইনে অভিযোগও জানানো যাবে, এই অ্যাপসের মাধ্যমে। সার্বক্ষণিক আমাদের লোক থাকবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যার সমাধান করে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে এগিয়ে যেতে পারব।  
  
মঙ্গলবার অ্যাপের উদ্বোধনীতে ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক জানান, প্রাথমিকভাবে দুই মাস শুধু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ নেওয়া হবে। তবে পরবর্তীতে মশার উপদ্রব বা ভাঙা রাস্তার মতো অন্যান্য নাগরিক সমস্যাও এখানে যুক্ত করা হবে। 

ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, এখন থেকে এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে নগরীর যেকোনো প্রান্ত থেকে মাত্র কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই বর্জ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা, অভিযোগ সরাসরি আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে আমরা একটি সম্পূর্ণ জবাবদিহীতামূলক, স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত বর্জ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।  
  
সিটি করপোরেশন বলছে, অ্যাপস তৈরিতে কোন টাকা খরচ হয়নি। প্রতি মাসে নাগরিকদের দেয়া ১০০ টাকা ময়লার বিলের ৪০ পয়সা খরচ হবে অ্যাপসের জন্য।