অব্যবস্থাপনা-বাড়তি ভাড়ায় পর্যটকশূন্য হাওর

অস্বাভাবিক ভাড়া ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভরা মৌসুমেও পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর। ফলে, বিপাকে নৌকার মাঝি, হোটেল মালিকসহ হাজারো মানুষ। পর্যটকদের অভিযোগ, ট্রলার ভাড়া ও খাবারের বাড়তি দাম, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও নিরাপত্তা শঙ্কায় হাওর নিয়ে আগ্রহ কমছে। তবে, হাওরের পরিবেশকে পর্যটকবান্ধব করার আশ্বাস প্রশাসনের। 

এটি কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরের দৃশ্য। ঘাটে সারি সারি নৌকা বাঁধা থাকলেও নেই পর্যটক। একসময় বর্ষায় হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকতো হাওর। দিগন্তজোড়া জলরাশি, দৃষ্টিনন্দন বেড়িবাঁধ আর ট্রলারে ভ্রমণের আনন্দ উপভোগে ভিড় জমাতেন হাজারো দর্শনার্থী। 

তবে লাগামহীন ভাড়া ও অব্যবস্থাপনার কারণে এবার ভরা বর্ষায়ও পর্যটকশূন্য নিকলী। ফলে, বিপাকে পর্যটনসংশ্লিষ্ট স্থানীয় মানুষ। আয় কমে যাওয়ায় কষ্টে দিন কাটছে তাদের। 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে চলতি বছর হাতেগোনা কিছু পর্যটক হাওরে গেলেও হতাশ তারা। অস্বাভাবিক ট্রলার ভাড়া, খাবারের অতিরিক্ত দাম, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপত্তাহীনতা ও নজরদারির অভাবের অভিযোগ তাদের। 

তবে, হাওরাঞ্চলকে পর্যটকবান্ধব করার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। 

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, ‘পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদ পরিবেশে হাওর ভ্রমণ করতে পারেন, সেজন্য প্রশাসন কাজ করছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মানোন্নয়নকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ 

পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি পর্যটক ও স্থানীয়দের।