সাভার ও আশুলিয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। অপরিকল্পিত বাড়িঘর ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার খেসারত দিতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এতে পরিবেশের পাশাপাশি ঝুঁকি বাড়ছে জনস্বাস্থ্যের। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিল্পাঞ্চলটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের সাথী গার্মেন্টস থেকে মুসলিমটেক, শরবতটেক ও মোল্লারবাগ শাখা সড়ক বছরের বেশিরভাগ সময় জলাবদ্ধ থাকে। বেহাল ড্রেনের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাসহ হাজারো শ্রমিককে।
শুধু এ সড়ক নয়, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় জমে যায় নোংরা পানি।
আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন বুলবুল বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের বসবাস। অথচ বাড়িঘর তৈরি হচ্ছে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই। পরিকল্পিত নগরী চাইলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কঠোর হতে হবে।’
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য সচেতনতার অভাবই দায়ী।’
শিল্পাঞ্চলের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখা ও মানুষের বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরিতে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি ভুক্তভোগীদের।