ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় করা ঝর্ণা বেগমের দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুরে আদালতে নেওয়া হয় হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মামুনুল হককে। নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। 

দুই সাক্ষী হলেন- রয়েল রিসোর্টের পিআরও জাকির হোসেন ও সাংবাদিক জনি। এর আগে আজ সকালে কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুল হককে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জে আদালতে আনা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিবউদ্দিন জানান, সাক্ষীরা তাঁদের সাক্ষ্যে উল্লেখ করেছেন, সেদিন ঝর্ণা বেগম রয়েল রিসোর্টে তাঁদের বলেছেন যে, মামুনুল হক তাঁকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছেন। 

মামুনুল হকের আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন জানান, আজকের নির্ধারিত সাক্ষী আসেনি। যে দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁদের জেরা করা হয়েছে। পুলিশের কাছে দেওয়া তাদের সাক্ষ্য আর আদালতে দেওয়া সাক্ষ্য ও জেরার মধ্যে অনেক তফাৎ রয়েছে। 

তিনি বলেন, এ মামলার বাদী ঝর্ণা বেগমের সঙ্গে মামুনুল হকের বৈধ বিয়ে হয়েছে, যা ঝর্ণা বেগমের ছেলে তার সাক্ষ্যে বলেছেন। এরপরপরই ঝর্ণা বেগমের ছেলেকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে ঝর্ণা বেগম নামের এক নারীর সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে আটক করে। পরে হেফাজতের নেতাকর্মীরা খবর পেয়ে রিসোর্ট ভাংচুর করে মামুনুল হককে মুক্ত করে নিয়ে যায়। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন।