কুষ্টিয়ায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে প্রকল্পের দুটি পাম্প মেশিন এক বছর ধরে অচল। সচল পাম্পটিও নদীর পানির উচ্চতা নেমে যাওয়ায় কাজে আসছে না। এতে চলতি বোরো মৌসুমে সেচ সংকটে পড়েছেন চার জেলার কয়েক লাখ কৃষক। তাঁরা বলছেন, উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ। কবে পাম্প চালু হবে তার নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কৃষি বিভাগও।
ছয় দশকের বেশি সময় আগে পদ্মার তীরে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প শুরু হয়। এর আওতায় সেচের পানি পৌঁছানো হয় কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরার ১৩টি উপজেলায়।
কুষ্টিয়ার গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হামিদ বলেন, কুষ্টিয়ায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে প্রকল্পের তিনটি পাম্পের মধ্যে দুটিই এক বছর ধরে বিকল। এতে ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে বন্ধ হয়ে গেছে সেচ সুবিধা। অবশিষ্ট সচল পাম্পটি দিয়ে কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে পানি পাচ্ছিলেন কৃষক। তবে নদীর পানির উচ্চতা নেমে যাওয়ায় বর্তমানে সেটিও কাজ করছে না। চলতি বোরো মৌসুমে সেচ সংকটে পড়েছেন চার জেলার কয়েক লাখ কৃষক।
কৃষকেরা বলছেন, বিঘা প্রতি ২৮০ টাকায় সারা বছর সেচ সুবিধা মিললেও, চলতি বোরো মৌসুমে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলছেন, সংকট কবে কাটবে, জানা নেই তাঁর।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন বলছেন, নদীর পানির উচ্চতা বাড়লে একটি পাম্প দিয়ে দুই জেলায় সেচ সরবরাহ সম্ভব হবে।
প্রকল্পের আওতায় চার জেলার ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা পৌঁছানোর কথা।