খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনরের পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কেএমপি সদর দপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্র–জনতা। আন্দোলনরত ছাত্ররা কেএমপির প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
আজ বেলা সাড়ে ৩টার দিকে একে একে জড় হতে থাতে ছাত্ররা। এর কিছুক্ষণ পরে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সাথে যোগ দেয় ছাত্রদল ও ইসলামি আন্দোলনের কর্মীরা। তারা টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। কেএমপির সামনে ছাত্রদের অবস্থানের কারণে রাস্তার দুপাশে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুল বলেন, ‘জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময়ে ছাত্রদের ব্যাপক নির্যাতন করেছে এসআই সুকান্ত দাশ। তিনি ৪টা মামলার আসামি। গত মঙ্গলবার খুলনার ইস্টার্ন গেট এলাকায় জনতার হাতে আটক হন তিনি। এরপর তাকে পলিশে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। গতকালও আমরা পুলিশ কমিশনরের কাছে ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি। আজ আমরা এখানে একদফা দাবিতে উপস্থিত হয়েছি– সেটা হলো কমিশনার জুলফিকার আলীর পদত্যাগ।’
এদিকে জোহরুল তানভীর নামে এক ছাত্র বলেন, ‘যতক্ষণ তিনি পদত্যাগ না করছেন ততক্ষণ আমরা এখানে অবস্থান করব।’
এ ব্যাপারে কেএমপির দায়িত্বশীল কারও সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
এদিকে খুলনায় জুলাই আন্দোলনে ছাত্র–জনতার উপর নির্যাতনের অভিযোগে এসআই সুকান্ত দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তারা দাবি করছে, চুয়াডাঙ্গায় এসআই সুকান্তর কর্মস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।