বাগেরহাটের কচুয়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে ওসমান সরদার (২৯) নামের এক আহত যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর (ঘোড়া প্রতীক) সমর্থক ছিলেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ওসমান সরদার বাগেরহাট সদর উপজেলার পার নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওসমান সরদারসহ উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল কবির সরদার বলেন, ‘ওই এলাকায় ধানের শীষের লোকজন ঘোড়ার লোকজন ‘কই গেল’ বলে খুঁজছিল। এ সময় আমার ভাইসহ কয়েকজনের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে ধানের শীষের সমর্থকেরা। পরে গুরুতর অবস্থায় বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা খুলনায় পাঠান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, ‘ওসমান সরদারের মৃত্যুর খবর শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু হয়েছে।’
সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। একই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। এই দুই প্রার্থীকেই বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসনটাতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাদ।