কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে পুশ–ইনের চেষ্টার শিকার হওয়া শিশুসহ ১২ জন এখন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএএসফ) তাদের এ দেশে ঢোকানোর চেষ্টা করলে রুখে দেয় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)।
জানা গেছে, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় গত তিন দিন যাবত ওই ১২ জন শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশি স্থানীয়রা তাদেরকে খাবার দিচ্ছেন মানবিক বিবেচনায়।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল শনিবার সকালে বাংলাদেশের বিলগাথুযা সীমান্তের ১৫০ থ্রি এস সাব পিলার সংলগ্ন এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। প্রায় ২০ মিনিটব্যাপি বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিত্ব করেন ৪৭ বিজিবির সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা এবং বিএসএফের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন রানীনগর ক্যাম্পের এপি সুনীল কুমার যাদব।
পতাকা বৈঠকে বিএসএফ জানায়, সীমান্তে অবস্থানরত ১২ জনের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই শেষে তারা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত হলে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে বিএসএফ প্রতিনিধিরা বিজিবিকে অবহিত করেন।
এরআগে গত শুক্রবার ভোরে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় একটি পাট খেতের আইলে অবস্থান করছেন। পুশ–ইনের ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।