খুলনার দৌলতপুরে মসজিদের ভেতরে গুলির ঘটনায় একজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। এদিকে গুলিবিদ্ধ লোকমান হাকিম এবং আলম মন্ডলকে ঢাকায় আনা হয়েছে। পুলিশের ধারণা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই মসজিদে ঢুকে লোকমানকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পাশে থাকায় গুলিবিদ্ধ হন আলম। হামলায় জড়িতদের ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।
খুলনার দৌলতপুরের পশ্চিম কাশিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের মসজিদে নামাজ আদায় চালু থাকলেও, মুসল্লিদের আতঙ্ক কমছে না। এখানেই রোববার ফজরের নামাজ শেষে কোরআন পড়া অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন মসজিদের সেক্রেটারি লোকমান হাকিম। তার সঙ্গে আরেক মুসল্লি আলম মন্ডলেরও গুলি লাগে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদে ঢুকে গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলি লাগে লোকমানের মাথায়। পরে গুলিবিদ্ধ দুজনকে পাঠানোয় হয় খুলনা মেডিকেলে। সেখান থেকে নেয়া হয় ঢাকায়।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, নামাজের পর কোরআন শরিফ পড়তেছিল। তখন নাকি সন্ত্রাসীরা আইসে তাকে গুলি করছে। হাসপাতালে নিয়ে গেছে। ওখানে রাখেনি, পরে ঢাকায় নিয়ে গেছে।
স্থানীয় এক দোকানী বলেন, গুলি করেছে। বারান্দায় একলোক ছিল, তারেও নাকি গুলি করেছে। আমরা বের হয়ে এ–ই শুনলাম।
লোকমান হাকিম জ্বালানি তেল ও ঠিকাদারি ব্যবসা করেন। হামলার পেছনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জহিদুল হাসান বলেন, আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি একটি তেলের ব্যবসা সংক্রান্ত একটা বিরোধকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটা ঘটেছে। সম্ভাব্য অপরাধীকে আমরা শনাক্ত করে ফেলেছি। আমরা তদন্তের স্বার্থে এখন নাম প্রকাশ করছি না। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযানিক দল বাইরে আছে।
এ ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় লোকমানের পরিবার। স্বজনদের কেউই কথা বলেননি ক্যামেরার সামনে। এদিকে খুলনায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি দমনে যৌথ অভিযানের মধ্যেই এমন ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে নগরবাসীর।