রামপালে বিমানবন্দর নির্মাণে নতুন আশা 

বাগেরহাটের রামপালে বিমানবন্দর নির্মাণে আবার আশার আলো দেখাচ্ছে চীনা কোম্পানি। তিন দশক ধরে হিমাগারে থাকা খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে করতে চায় চীনের রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে তাদের প্রতিনিধি দল। বিমানবন্দর নির্মাণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের আশা স্থানীয়দের।

১৯৯৬ সালে খুলনা শহরের ২২ কিলোমিটার দূরে বাগেরহাটের ফয়লায় বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ২০১৫ সালে দ্বিতীয় দফা উদ্যোগ নিলেও নানা জটিলতায় হয়নি বিমানবন্দর। 

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পটি আবার চালু হয়েছে। সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন'- এর একটি প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেছে প্রকল্প এলাকা। 

চায়না এমসিসি পিটার বলেন, ‘আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং এতে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা আন্তরিক।’ 

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রকল্পটি পুনরায় চালুর চেষ্টা করছি। এ নিয়ে চায়না কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘সিভিল এভিয়েশনের কাছে বিমানবন্দর সংক্রান্ত প্রস্তাবনা জমা পড়েছে।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে, বলছেন স্থানীয়রা।

বিমানবন্দর নির্মাণে দুই ধাপে মোট ৬৩০ একর জমি অধিগ্রহণ হয়। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ ও আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়।