শেরপুর জেলা সদরে বিভিন্ন স্থানে একাধিক পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। আহতরা শেরপুর জেলা হাসপাতাল ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার শেরপুর পৌরসভার কসবা, চরশেরপুরসহ সদর উপজেলার চরমুচারিয়া, লছমনপুর, ভাতশালা ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে কুকুড়ে কামড়ায়।
হাসপাতালের কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা জানায়, একাধিক পাগলা কুকুর শিশু, যুবক, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন লোকজনকে কামড়াতে থাকে। এতে প্রায় দেড়শতাধিক মানুষ আহত হয়। আহতদের মধ্যে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শতাধিক মানুষ শেরপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছে। আরও কুকুরের কামড়ে আহত রোগী হাসপাতালে আসছে।
এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকেও অনেকেই চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হওয়ার পর থেকে ওইসব এলাকায় পাগলা কুকুরের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
শেরপুর সদরের কৃঞ্চপুরের আহত মামুন মিয়া (৪০) বলেন, ‘আমি কাজ করতেছিলাম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে পাগলা কুকুরে কামড়িয়ে আহত করেছে।’
ধাতিয়া পাড়ার আহত শিশু আফসানার (৩) বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পাগলা কুকুরের হাত থেকে অল্পের জন্যে আমা মেয়ে বেঁচে গেছে। কুকুর অনেক বেড়ে গেছে। এসব কুকুরকে হয় মেরে ফেলতে হবে তা-না হলে প্রতিষেধক দিতে হবে।’
নামা শেরির লাল মিয়া (৪০) বলেন, ‘আমগো এলাকার অনেক মানুষরে কুকুরে কামড় দিয়েছে। এসব কুকুরকে দমন করতে হবে।’
ঝায়েরচরের রাজ মিয়া (৬০) বলেন, ‘আগে এত কুকুর ছিল না। এখন এসব কুকুরকে ইনজেকশন না দিলে আমগরে খুব বিপদ।’
শেরপুর জেলা হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাজ্জাদ হাসান বলেন, ‘অনেক রোগী হাসপাতালে আসছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।’