রাজশাহীর সীমান্ত এলাকায় ৭৭টি ভোটকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পিড বোট মোতায়েন করা হয়েছে। ১৬টি বিওপিতে অতিরিক্ত জনবল বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ৭০০ সদস্যের স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় সহায়তা করবে সেনাবাহিনী।
এক পাড়ে রাজশাহী শহর, অন্য পাড়ে সীমান্তবর্তী চরখানপুর, মাঝদিয়ার, খিদিরপুরসহ চরের বেশ কয়েকটি গ্রাম। মাঝে বয়ে গেছে প্রমত্ত পদ্মা। রাজশাহীর অংশে ৭৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার এক তৃতীয়াংশ জলপথ। বিভাগের ৩৯টি আসনে মোট ভোটার ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন।
আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৭৭টি।
বিজিবি বলছে, নদীপথের জন্য রয়েছে সাতটি স্পিড বোট, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট, সীমান্তবর্তী ১৬টি বিওপি। সেই সাথে থাকছে ৭০০ স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স।
ভোটের সময় অনিয়ম, সহিংসতা রোধে বাড়ানো হয়েছে বিজিবির তৎপরতা। সীমান্তেও সতর্ক থাকবে সদস্যরা।
বিজিবি রাজশাহী সদর দপ্তর-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, ‘নদীর ওপারে আমাদের মোট ১৮টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর জন্য দুটি আলাদা বেজক্যাম্প স্থাপন করেছি যাতে এই কেন্দ্রগুলোকে নির্বাচনের দিন সাপোর্ট দেওয়া যায়।’
রাজশাহী বিভাগের ৫ হাজার ২৮৭টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২ হাজার ৬৬৪টি। পুলিশ বিজিবির পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় সহায়তা করবে সেনাবাহিনী।
রাজশাহী ডিআইজি রেঞ্জ মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, প্রত্যেক ইউনিয়নে পুলিশের, বিজিবির টহল টিম থাকবে। প্রয়োজনে সেনা সদস্যরাও প্রস্তুত রয়েছে।
এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলছেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের মধ্যে এখন কোনো ভীতি বা শঙ্কা নেই।