উদ্বোধনের চার বছরেও কার্যক্রম চালু করতে পারেনি রাজশাহী বিসিক শিল্পাঞ্চল-দুই। এখনো ফাঁকা পড়ে রয়েছে ৮০ ভাগ প্লট এ। নেই গ্যাস সংযোগ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। উদ্যোক্তারা বলছেন, নানা সংকট সত্ত্বেও প্লটের দাম তুলনামূলক বেশি। তবে বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছে, সমস্যা সমাধান কোরে এ শিল্পাঞ্চলকে উদ্যোক্তা-বান্ধব করে তুলতে কাজ চলছে।
রাজশাহী মহানগরীর সপুরা এলাকায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকটের সমাধান না করেই ২০২২ সালে দেড়শো বিঘা জমিতে চালু করা হয় বিসিক শিল্পনগরী-২।
গত চার বছরে ২৮৬টি প্লটের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৭১টি। এর মধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে ৯টি। প্লট নেওয়ার পরে নানা সংকটের মুখোমুখি শিল্প উদ্যোক্তারা।
এই শিল্পাঞ্চলে প্লট নিতে প্রতি কাঠায় খরচ প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা।
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির সদস্য সচিব সৈয়দ আহমেদ জাকী বলেন, ‘প্রকল্পটি অপরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়নি।’
বিসিক আঞ্চলিক পরিচালক জাফর বায়েজীদ বলেন, ‘জেলার দুই শিল্পাঞ্চলকেই ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে।’
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পাশাপাশি এখানে প্লটের জন্য আবেদন করতে পারেন ৫০ কোটি মূলধনের মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারাও।
চারপাশজুড়ে ঘনক কাশবন দেখে বোঝার উপায় নেই এটা রাজশাহী বিসিক দুই শিল্প অঞ্চল। বিসিক এক যখন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে তখন এই- দুই অঞ্চলের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ব্যবসায়ীরা। এই শিল্প অঞ্চলটি কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কতটা সহায়ক হবে তা এখন দেখার বিষয়।