কারিগরি সীমাবদ্ধতায় কাজে আসনে না চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম সংরক্ষণাগার

কারিগরি সীমাবদ্ধতা এবং দক্ষ জনবলের অভাবে কাজে আসছে না চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম সংরক্ষণের কোল্ড স্টোরেজ। তাপমাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় আম নষ্টের ঝুঁকিতে কোল্ড স্টোরেজটি ব্যবহারে আগ্রহ কম চাষিদের।

আমসহ ফলমূল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ একাডেমির মোড়ে নির্মাণ করা হয় কোল্ড স্টোরেজ।

চলতি মৌসুমে এই সংরক্ষণাগারে ২০০ ক্রেট আম রাখেন এক চাষি। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে এক সপ্তাহের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায় আমগুলো। এরপর থেকেই কোল্ড স্টোরেজটি ফাঁকা পড়ে থাকলেও সম্প্রতি দুজন কৃষক আম সংরক্ষণ করেছেন।

চাষিদের অভিযোগ, কারিগরি সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবলের অভাবসহ নানা অব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটি ব্যর্থ হতে বসেছে।

কারিগরি সীমাবদ্ধতা ও দক্ষ জনবল না থাকার কথা স্বীকার করছেন কৃষি কর্মকর্তারাও। তবে আগামী বছর থেকে প্রকল্পটি সফলভাবে পরিচালনার কথা জানিয়েছেন তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, “জেলায় প্রচুর পরিমাণ জমিতে আম চাষ হয়। এসব আম সংরক্ষণের জন্য আম সংরক্ষণাগারটি স্থাপন করা হয়েছিল। কিছু কারিগরি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আশা করি এগুলা দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে।

“আম সংরক্ষণ করে চাষিরা সুবিধামতো সময়ে আম বিক্রি করতে পারবেন। এতে করে চাষিরা লাভবান হতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সারা বছরেই মানুষ আম খেতে পারবে”- বলেন কৃষি কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম।

৮ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার কোল্ড স্টোরেজটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৩৫ লাখ টাকা।