দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এক তরুণীকে (১৮) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার তেলীপুকুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বোন চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশিদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণমাধ্যমে সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার এক তরুণের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক। মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণ পঞ্চগড় থেকে চিরিরবন্দরে তাঁদের বাসায় এসে মা-বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে । কিন্তু পরিবার রাজি না হওয়ায় সে ওই তরুণের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন। পরে রেল স্টেশনে গিয়ে পঞ্চগড়ে যাওয়ার কোনো ট্রেন না পেয়ে উপজেলার ঘুঘরাতলী বাজারে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন।
তরুণী আরও জানান, ঘুঘরাতলীতে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছোট ভাইয়ের গাড়িচালকের ছোট ভাই মোবিনসহ পাঁচজন ওই তরুণী ও তার বন্ধুকে মারধর করে একটা ভ্যানে করে তুলে নিয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণকে অন্যত্র আটকে রেখে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে তাঁকে ধানখেতে ফেলে রেখে চলে যান তাঁরা। পরে ওই তরুণ ৯৯৯–এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশিদ জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।