লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক মো. লিটন মিয়ার (২০) মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারত।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার জাওরানি সীমান্তের ৯১২ নাম্বার পিলার এলাকা দিয়ে বিজিবি ও পুলিশের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ নিহতের পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করে।
মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভারতীয় বিএসএফের ৭৫ ব্যাটালিয়ন কুচবিহারের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার শ্রী এম.এল রানা, সিতাই থানার এসআই বিরেন্দ্র মেদরী, এএসআই মলয় সরকার এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ১৫ বিজিবির অধীন জাওরানি বিওপির কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবুল কাশেম, হাতিবান্ধা থানার ওসি (তদন্ত) নির্মল কুমার মোহন্ত, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিহতের স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাতিবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্মল কুমার মোহন্ত জানান, মঙ্গলবার মরদেহ ফেরত পাওয়া হয়। এরপর নিহতের পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার ভোর রাতে আদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ নম্বর মেইন পিলার এলাকা দিয়ে ভারতীয় একদল গরু ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় বাংলাদেশি ৪০–৫০ জন যুবক গরু পাচার করে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় ভারতীয় জলপাইগুড়ি-৭৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বারথার ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা গুলি চালান। এতে বিএসএফের গুলিতে মো. লিটন মিয়া আহত হন। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুচবিহার জেলা সদরের এমজেএম নামে একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।