ধরলা নদীতে আবারও ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এ নদীর ভাঙনে চার দিনে গৃহহীন হয়েছে দুই শতাধিক পরিবার। কুড়িগ্রামের উলিপুরের বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও ৫০ একর ফসলি জমিও নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ভাঙনে সর্বস্ব হারানো মানুষেরা।
আট বার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে ১০ বছর আগে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নে বসতি গড়েছিলেন আজমত আলী। এবার ভাঙনের শিকার হলেন আবারও। ধরলা নদীর ভাঙন শুরু হওয়ার দুই দিনের মাথায় বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় তাঁর।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বাবলু মিয়া বলেন, শুধু আজমত আলী নয়, ধরলা নদীর ভাঙনে চার দিনে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের দুই শতাধিক পরিবার হয়েছে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। বিলীন হয়েছে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, আকেল মামুদ কমিউনিটি ক্লিনিক, ৫০ একর আবাদি জমি। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে এই এলাকার একমাত্র উচ্চ বিদ্যালয়টি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বারবার অনুরোধ করেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। শুধু আশ্বাস নয়, ভাঙন রোধে দ্রুত সমাধান চান স্থানীয়রা।
তবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলছেন, ধরলা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।