৮৬ লাখ টাকা খরচ করে রেলস্টেশন সংস্কার করা হলেও, মানুষের কাজে লাগছে না। জনবল না থাকায় বন্ধ রয়েছে দিনাজপুরের ভবানীপুর ও বেলাইচণ্ডি স্টেশন। সরকারের অর্থ ব্যয় হলেও রাজস্ব মিলছে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ সময় অব্যবহৃত পড়ে থেকে যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার শঙ্কা।
জনবল সংকটের কারণে পার্বতীপুর উপজেলার ভবানীপুর ও বেলাইচণ্ডি রেলস্টেশন বন্ধ রয়েছে ২০১৫ সাল থেকে। এতে দুটি স্টেশনই, ব্যবহারের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ২০২৩ সালে, ৫০ লাখ টাকা খরচে ভবানীপুর এবং ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বেলাইচণ্ডি স্টেশন সংস্কার করা হয়। এই কাজ শেষ হয় গত ফেব্রুয়ারিতে।
তবে, ‘মূল সংকট’ জনবলই নিয়োগ দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। এতে এখন পর্যন্ত বন্ধই রয়েছে দুই স্টেশন। অথচ শিল্প কারখানা থাকায় বেলাইচণ্ডিতে দিনে কয়েক শ মানুষের যাতায়াত রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী বলছেন, এই দুই স্টেশন চালু হলে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক উপকার হবে। এ ছাড়া এখান থেকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
লোক নিয়োগের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছেন রেল কর্মকর্তারা। তবে কবে নাগাদ স্টেশন চালু হবে তা জানাতে পারেনি কেউ।
সান্তাহার জংশনের কমার্শিয়াল অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান বলেন, ‘রেলওয়েতে দীর্ঘদিন থেকে পরিবহন এবং বাণিজ্যিক কর্মচারীদের স্বল্পতা রয়েছে। এ বিষয়গুলো প্রতি ছয় মাস পর পর আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। নতুন করে লোকবল নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সেই লোকবল নিয়োগ দেওয়া সম্পন্ন হলে এ সকল স্টেশনগুলো চালু করা হবে।’
দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে, স্টেশন দুটি আবারও ব্যবহার অনুপযোগী হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নষ্ট হতে পারে যন্ত্রপাতিও।