জানা গেছে, রেল ও সড়ক পথে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে ২০০৫ সালে শুরু হয় বিরল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। ২৫ বছরের জন্য পরিচালনার দায়িত্ব পায় বিরল ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেড। ২০০৬ সালে সীমান্তের ওপারে রাধিকাপুর পর্যন্ত এবং ২০১১ সালে পার্বতীপুর থেকে বিরল সীমান্ত পর্যন্ত মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হয়। ২০১৭ সালে ওই রেলপথে শুরু হয় বাণিজ্য। নির্মাণ করা হয় সড়ক, ইমিগ্রেশন ও শুল্ক স্টেশনের অবকাঠামো। কিন্তু এখনও পর্যন্ত চালুই হয়নি বন্দরটি।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এটার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। কারণ আমরা যদি রেলে মাল নিয়ে আসি তাহলে আমাদের খরচ কম পড়বে এবং আমরা কম মূল্যে ভোক্তাদের কাছে পণ্য পৌঁছাতে পারব।’
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘এই পোর্টটি চালু হলে আমাদের এলাকার ব্যবসায়ীদের উন্নতি হবে। এলাকার উন্নয়ন হবে।’
বিরল স্থলবন্দর চালু হলে এর মাধ্যমে বাংলাদেশে, ভারত, নেপাল ও ভুটান এই চার দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ হবে। তৈরি হবে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান।
বিরল ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন বলেন, ‘এটি দিনাজপুর শহরের একেবারে সন্নিকটে। যার জন্য এটি হলে শহরের যে একটি কর্মচাঞ্চল্য আসবে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে এই বিরল স্থলবন্দর।’
কম খরচে পণ্য পরিবহনে বন্দরটির কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু করতে সরকারের প্রতি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।