উত্তরাঞ্চলে কমছে নদ-নদীর পানি। এতে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তবে, এখনো ভোগান্তি কমেনি দুর্গত এলাকায়। নতুন করে ভারী বৃষ্টি বা উজানের ঢল নামলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এদিকে, নদ-নদীর পানি কমায় বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে ভাঙন।
নীলফামারীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও ১২ ঘণ্টার মধ্যে পানি নামায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে মানুষজন। তবে, ডিমলার ছোটখাতা ও বাইশপুকুর গ্রামে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী-ভাঙন। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে পাঁচ শতাধিক পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘যেসব জায়গায় ঘরবাড়ি এবং ফসলের জমি অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেসব স্থানে ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
লালমনিরহাটে বন্যার পানি কমায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামায় স্বস্তি ফিরলেও কাদা-পানিতে বেড়েছে দুর্ভোগ। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নেত্রকোণাতেও কমছে নদ-নদীর পানি। কলমাকান্দায় উপদাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটার অন্তত ২৫টি এলাকায় নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলেও পুরোপুরি ঠেকানো যাচ্ছে না নদী ভাঙন।
সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে এখন বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে। তবে, থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।