উত্তরের বন্যা পরিস্থিতি: নদীর পানি কমলেও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ

দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টি কমায় তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে। তবে মাসজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় আবারও বন্যার শঙ্কায় নিচু এলাকার বাসিন্দারা। এদিকে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় তীব্র হয়েছে নদীভাঙন। আর টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কে ধস অব্যাহত থাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে যান চলাচল।

গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় শঙ্করদহ, চরইচলি, বাঘেরহাট ও বিনবিনার চরসহ বিভিন্ন নিচু এলাকার ফসলি জমি এখনও পানিতে তলিয়ে আছে। পানি কিছুটা কমলেও অনেক এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্ভোগে স্থানীয়রা।

নীলফামারীতে তিস্তার চরের ফসল তলিয়ে গেছে। বেড়েছে ভাঙন নদী। বৃষ্টি, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে স্থানীয়রা। এছাড়া কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার কাঁচকোল ও কড়াইবরিশাল চর এলাকায় বেড়েছে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন।  

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গাইবান্ধায় তিস্তা তীরবর্তী সুন্দরগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এখনও তলিয়ে আছে। জুলাইয়ের বাকি দিনগুলোতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।’

এদিকে, শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীর তিন ইউনিয়নের পর নতুন করে প্লাবিত হয়েছে গাজীরখামার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল। সুনামগঞ্জের হাওর ও নিচু এলাকা এখনো তলিয়ে আছে।

যমুনার তীব্র স্রোতে টাঙ্গাইল-তারাকান্দি-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের গাইড বাঁধের ভাঙন অব্যাহত আছে। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প পথে যাতায়াতে দুর্ভোগ বেড়েছে যাত্রীদের।