অন্যতম সবজি উৎপাদনকারী জেলা বগুড়ায় বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার সবজি উৎপাদন হয়। তবে সঠিক সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার অভাবে প্রায় ১৭০ কোটি টাকার সবজি নষ্ট হয়। কৃষকদের লোকসান ও সবজির অপচয় রোধে নানা উদ্যোগের কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় সবজি উৎপাদনকারী জেলা বগুড়ায় বছরে প্রায় ১৮ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়। এর মধ্যে শুধু আলু উৎপাদন সাড়ে ১২ লাখ টনের বেশি। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত সবজি বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়। বিদেশে রপ্তানি হয় ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, টমেটো, লতিরাজ ও কাঁচাকলা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, জেলায় উৎপাদিত ৫৫ ধরনের সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয় আলু, বছরে প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার টন। মৌসুমের শেষ দিকে ফেলে দেয়া হয় বাঁধাকপি, মূলাসহ শীতকালীন নানা সবজি। বিপণনে সাবধান না হওয়া, হিমাগার না থাকাসহ নানা কারণে সবজি অপচয় বাড়ছে, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দিন ফিরোজ বলেন, ‘সবজি অপচয় রোধে কাজ শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বিভিন্ন দাতাসংস্থাও।’
বগুড়ায় বর্তমানে ৩৫টি হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয় ৪ লাখ টন।