খোয়াই নদীতে সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ২০ গ্রামের মানুষ

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীতে একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ২০ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের কাছে বার বার গিয়েও হয়নি সেতু নির্মাণ। সেতু নির্মাণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ও হবিগঞ্জ উপজেলার মধ্যবর্তী চরহামুয়া গ্রামের পাশে রয়েছে খোয়াই নদী। নদীর এপার-ওপার বাঁধা হয়েছে মোটা দড়ি। সে দড়ি টেনে, ছোট নৌকায় খরস্রোতা খোয়াই নদী পার হন যাত্রীরা। এলাকাবাসী জানায়, হবিগঞ্জ সদরের লস্করপুর ইউনিয়নের ২০ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের এ দুর্ভোগ প্রতিদিনের। যেখানে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন রোগী ও স্কুলগামী শিশুরা।

যখন নদীতে বান দেখা দেয় তখন নৌকায় যাতায়াত না করে বাহুবল উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে জেলা শহরে আসতে হয় নানা প্রয়োজনে। লস্করপুরের বাসিন্দাদের ওপার থেকে এ পারে দুই থেকে তিন ঘণ্টা ব্যয় করে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হয়। চরহামুয়া গ্রাম দিয়ে জেলা শহরে খোয়াই নদী পার হয়ে এক ঘণ্টায়ই জেলা শহরে আসা যায়। কিন্তু ব্রিজ হলে আধ ঘণ্টায় জেলা শহরে আসা যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ব্রিজের কারনে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণে জনপ্রতিনিধিরা বার বার আশ্বস্ত করলেও, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, লস্করপুরের জন্য সেতুর প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে ইউএনও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। 

নৌকায় পণ্য পরিবহনে বেশি খরচ হয় লস্করপুরের কৃষকের। সেতু নির্মাণ হলে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে বলেও দাবি স্থানীয় মানুষের।