ডিএসইতে ১৬ মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন

ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরছে দেশের শেয়ারবাজার। ডিএসইতে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৪১ পয়েন্ট। দর বেড়েছে ৬৬ ভাগ কোম্পানির শেয়ার। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক বেড়েছে ১৮৭ পয়েন্ট।

ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর লেনদেনে ইতিবাচক ধারায় ঢাকার শেয়ারবাজার। সোমবার প্রথম ১ ঘণ্টায় প্রধান সূচক বাড়ে ৪৫ পয়েন্ট। এরপর ওঠানামা করলেও দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৪১ দশমিক আট ছয় পয়েন্ট। অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩শ ২২ পয়েন্টে। 

সূচকের সাথে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ৬শ ৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ৭৪ কোটি টাকা। 

হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩শ ৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৬ ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। এসময় দর বেড়েছে ২৬১টির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত ৪১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর। 

এদিকে সূচক ও লেনদেনের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার। এজন্য, বিনিয়োগকারীদের বুঝেশুনে বিনিয়োগের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক মাহমুদ হোসেন বলেন, একটি কুচক্রি মহল সারকুলার চেক করে দাম বাড়িয়েছে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রাইজ ইনডেক্স দেখে ঝাপিয়ে পড়ে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কারা এভাবে ভলিউম বাড়াচ্ছে সেটা যাচাই বাছাই করা এখন খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

এদিকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম ওরিয়ন ইনফিউশন, দ্বিতীয় বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম এবং তৃতীয় অবস্থানে ফু ওয়াং ফুড।

শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক দ্বিতীয় স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক এবং তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ ল্যাম্পস।  

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক বেড়েছে ১৮৭ পয়েন্ট। অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৩২ পয়েন্টে। লেনদেন হয় ১৯ কোটি টাকা ১৩ লাখ টাকার শেয়ার।