ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানের পরও কারসাজি কমছে না তরমুজের বাজারে। ম্যাজিস্ট্রেট এলে তরমুজ বিক্রি হয় পিস হিসেবে, আর চলে গেলে কেজি দরে বিক্রি হয়।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। ক্ষুব্ধ ক্রেতারা বলছেন, কেজি দরে নয়, পিস হিসেবে তরমুজ কেনা হলে লাভ হয় তাদের।
রোজার শুরুতে রাজধানীর বাজারে তরমুজের দেখা মিলেছে। বাড়ছে তরমুজ বেচাকেনায় হাঁকডাকও। এসময় পরিদর্শনে আসেন ভোক্তা অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। দর জানতে চাইলে বিক্রেতারা জানান, তরমুজ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা করে। এসময় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তরমুজ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
নিমিষেই অর্ধেক তরমুজ বিক্রি শেষ হয় বিক্রেতার। অবস্থা বেগতিক দেখে শর্ত জুড়ে দেওয়া দেন বিক্রেতা। তাদের দাবি, একটি নয়, দুটি তরমুজ কিনতে হবে। এ সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়।
অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে আবারও বিক্রি শুরু হয় কেজি দরে। যার কোনো ব্যাখা দিতে পারেননি বিক্রেতা।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ১৫ রোজার পর থেকে সরবরাহ বাড়লে থাকবে না এ পরিস্থিতি।
ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল, ‘৮ থেকে ১০ ওজনের তরমুজ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। আমাদের দেখে ওনারা (বিক্রেতা) বললেন পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। আমরা দেখলাম এতে সব্বোচ্চ দাম চার শ টাকা হয়।’
বাজারে এখন ৩ থেকে ৬ কেজি ওজনের আশপাশে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি তরমুজ।