জ্বালানি সংকটে ২০ ভাগ প্লাস্টিক কারখানা বন্ধের পথে: বিপিজিএমইএ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে গত দেড় বছরে প্লাস্টিক শিল্পের ৬ হাজার কারখানার মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার বেশিরভাগই বন্ধ হয়েছে এবং বাকিগুলো বন্ধের পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন-বিপিজিএমইএ। 

আজ বুধবার রাজধানীতে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিপিজিএমইএ সভাপতি সামিম আহমেদ।

সামিম আহমেদ বলেন, ‘ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে দেশের প্লাস্টিক খাত ক্ষতির মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।’ 

তিনি বলেন, শিল্পের বিকাশে প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের ওপর ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করতে হবে। এছাড়া প্লাস্টিক শিল্পের মৌলিক কাঁচামাল আমদানির শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার দাবি করে সংগঠনটি। 

বিপিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘কাঁচামাল আমরা আমদানি করি, এটা কিন্তু পেট্রোক্যামিকেল পণ্য যার বিশ্বে দাম একই থাকে। এক ডলার যদি বেশ কম হয় তাহলে আরেক জন লাভবান হয়ে যান। এদিকে এনবিআর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণের জন্য প্লাস্টিক পণ্যর ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করে, এটা অনুচিত।’