কাস্টমসের স্বর্ণ চুরি নয়, আত্মসাৎ হয়: পিবিআই

কাস্টমস হাউসের সুরক্ষিত গুদাম থেকে ৫৫ কেজি স্বর্ণ চুরি নয়, আত্মসাত হয়েছে। পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই এর তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় নতুন করে আত্মসাতের মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। যার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঢাকা কাস্টমস হাউসের সুরক্ষিত গুদাম থেকে ৫৫ কেজি স্বর্ণ গায়েবের ঘটনা ঘটে প্রায় দুই বছর আগে।

বিষয়টি সামনে আসার পর এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি চুরির মামলা করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। প্রাথমিকভাবে চার গুদাম কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ। পরে মামলা যায় ডিবিতে। সবশেষ, মামলাটি পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো-পিবিআই এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই দফায় আসামিদের রিমান্ডেও নেয় পিবিআই। যদিও, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসব কর্মকর্তারা এখন জামিনে রয়েছেন।

অপরাধীদের চিহ্নিত করে পিবিআইও তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুননবি সরকার জানান, এ ঘটনায় চুরির মামলা হলেও, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তেমন কোনো আলামত মেলেনি।

দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, এটি কোনো চুরির ঘটনা নয়, দণ্ডবিধি ৪০৯ এর ধারা বলে এবার আত্মসাতের মামলা করবে তারা।

অপরাধের এ ধরন দুদকের তফসিলভুক্ত হওয়ায় অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর জজ আদালত। 

বিমানবন্দরের মতো সুরক্ষিত এলাকায় কাস্টমসের গুদাম থেকে স্বর্ণের মতো মূল্যবান পণ্যের আত্মসাতের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের। তাই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে গুদাম কর্মকর্তাদের মনিটরিং করা, আটক স্বর্ন দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার পাশাপাশি দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ এসেছে এনবিআরের তদন্ত প্রতিবেদনে।