নির্বাচনের আগে যেমন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি

আগামী সপ্তাহে আবারও সংকোচনমূলক মূদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জাতীয় নির্বাচনের আগে অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না। নীতি সুদ হারও অপরিবর্তিত থাকছে, বাড়ছে না বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ। কর্মকর্তারা জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এমন পথে হাঁটছেন তারা। তবে এতে দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

আগামী ৬ মাসে কী পরিমাণ অর্থ বাজারে সরবরাহ করা হবে, তা মুদ্রানীতির মাধ্যমে ঠিক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। একদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগকে প্রাধান্য দিয়ে জানুয়ারি-জুন মেয়াদের কৌশল প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়া এবারও ঘোষণা করা হবে সংকোচনমূলক মূদ্রানীতি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার সাড়ে ৮ থেকে ১০ শতাংশ করে। ফলে মূল্যস্ফীতি প্রথমে কমতে শুরু করে। যদিও এখনো কাঙ্খিত মাত্রায় কমেনি মূল্যস্ফীতি, এখনো তা প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ। চড়া নীতি সুদ হারের কারণে বিনিয়োগেও ভাটা পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে শুধু মাত্র দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। একইসাথে প্রভাব পড়ে বেকারত্বে। শুধুমাত্র মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি কাজে আসে না, বাজার তদারকি বাড়ানোর পরামর্শও দেন তারা।

সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে নীতি সুদ হার পরিবর্তন হবে বলেও জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।