সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে নেতিবাচক দেশের দুই শেয়ারবাজার। এসময় ঢাকার শেয়ারবাজার ডিএসই'র প্রধান সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট। সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও। এছাড়া দর কমেছে প্রায় ৫৭ ভাগ কোম্পানির শেয়ারের। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক কমেছে সাড়ে ২৯ পয়েন্ট।
বৃহস্পতিবার দিনের শুরু থেকে ইতিবাচক ছিলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। লেনদেন শুরুর ১০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৩ পয়েন্ট। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সূচকের উত্থান-পতন। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক ৩২ দশমিক ৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে।
আজ সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও। সারা দিনে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৮৭ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের চেয়ে ১২৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা কম।
হাতবদলে অংশ নিয়েছে মোট ৩৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে শেয়ারের দর বেড়েছে ১২৩ টি প্রতিষ্ঠানের এবং দর কমেছে ২২২টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথমেই আছে এশিয়াটিক ল্যাব, দ্বিতীয় অবস্থানে ইসলামী ব্যাংক, এবং তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এদিকে, শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথমেই আছে প্রিমিয়ার লিজিং, দ্বিতীয় অবস্থানে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এবং তৃতীয় স্থানে আছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ২৯ দশমিক ৫০ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে দিনশেষে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে। সারা দিনে লেনদেন হয়েছে মোট ৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার।