মে মাসে শুরু হচ্ছে বে-টার্মিনালের বিশেষ কারিগরি সমীক্ষা

আগামী মাসে শুরু হচ্ছে বে-টার্মিনালের বিশেষ কারিগরি সমীক্ষা। দুই ধাপে সমীক্ষা শেষ হলে জুনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত এ প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চায় চট্টগ্রাম বন্দর। এদিকে বন্দরে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল দৃশ্যমান করতে কাজ করছে সরকার। এরই মধ্যে এ প্রকল্পে ৬৫ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হয়েছে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে। ঋণের আওতায় প্রকল্পটির ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় ব্রেক ওয়াটার, এক্সেস নেভিগেশন চ্যানেল ও টার্মিনালের মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থ অনুমোদনের পর এখন কারিগরি সমীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়েছে প্রকল্পটি। দুই ধাপে এ কারিগরি সমীক্ষা অনুমোদনে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে আমাদের একটি টেকনিক্যাল টিম সিঙ্গাপুর যাচ্ছে। সেখানে গিয়ে টু-ডি একটি সিম্যুলেশন হবে। এরপর সাউথ আফ্রিকায় থ্রি-ডি সিম্যুলেশন হবে। মে-জুনের মধ্যে আমরা হয়তো এ কন্ট্র্যাক্টটি শেষ করতে পারব। এর পর কাজ শুরু হয়ে যাবে। আমাদের টার্গেট ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনাল-১ অপারেশনে যাবে।’

এদিকে বন্দরের যে কোনো প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ, ঋণের ক্ষেত্রে বন্দরের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখেই উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে চায় মন্ত্রণালয়। বন্দরের লালদিয়া চর টার্মিনাল, বে-টার্মিনাল কিংবা নিউমুরিং টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনায় ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করতে চায় সরকার।

নৌ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘ডিপি ওয়ার্ডের কিছু ইতিবাচক প্রস্তাবনা রয়েছে। আবার বন্দর থেকে আমরা এ মুহূর্তে যেটি পাচ্ছি, সেখানে কোনো কোনো জায়গায় আর্থিকভাবে আমাদের ক্ষতিও হয়। আবার গ্রস হিসেবে তেমন ক্ষতির কথাও বলা যায় না। তবে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই এই প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে।’