জুলাইয়ের মধ্যে অর্থ ফেরত ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ৬টি ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে তারা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আমানতকারীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দেন আমানতকারীরা।
চলতি বছরের শুরুতে অনিয়ম আর লুটপাটের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ৬টি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এফএএস ফিন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফিন্যান্স, আভিভা ফিন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।
এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকা আমানত দ্রুত ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে লিখিত আবেদন জানান ভুক্তভোগী আমানতকারীরা। মানববন্ধনে তারা জানান, ১২ হাজারের বেশি আমানতকারী অর্থ ফেরত না পেয়ে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপে আছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে অর্থ আটকে থাকায় অনেক আমানতকারী চিকিৎসাসহ জরুরি ব্যয় মেটাতে পারছেন না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ৬টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল আমানত ফেরত দিতে সরকারের কাছে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। সরকার থেকে টাকা পাওয়া গেলেই অর্থ ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ব্যাংক বহির্ভূত ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের অর্থ দ্রুত ফেরত না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন মানববন্ধনে আসা আমানতকারীরা।