ঈদ আসছে, দুশ্চিন্তায় দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি খাত

ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় মালিকরা। বলছেন, কোরবানির মৌসুমে পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সবচেয়ে জরুরি। ঠিকমতো সংরক্ষণ না করা গেলে অস্থিরতা তৈরি হবে চামড়া শিল্পে, কমবে রপ্তানি আয়। তবে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকের পরই চামড়া শিল্পের অবস্থান। এ খাতের কাঁচামালের সিংহভাগই আসে কোরবানির ঈদে। কিন্তু লোডশেডিংয়ের কারণে চরম সংকট চলছে সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে।

ট্যানারি মালিকরা বলছেন, কোরবানির সময় কাঁচা চামড়ার চাপ বাড়ে কয়েকগুণ। বিদ্যুৎ না পেলে এসব চামড়া সময়মতো প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হবে না। আবার কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) সচল রাখতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

রপ্তানিমুখী এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে আলাদা পরিকল্পনার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ তাদের।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে নিয়মিত আলোচনার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ।

সাভারে চামড়া শিল্পনগরী চালু হয় ২০১৭ সালে। বর্তমানে শিল্পনগরীতে চালু রয়েছে ১৪২টি ট্যানারি।