পেট্রোল পাম্প থেকে তেল নিতে এখন শুধু টাকা না, প্রয়োজন হচ্ছে ফুয়েল কার্ড। সেই কার্ড পেতে আবার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নীলফামারী জেলা প্রশাসনের এই এক সিদ্ধান্তেই পাল্টে গেছে পুরো চিত্র। গত এক মাসেই জেলায় লার্নার লাইসেন্সের আবেদন পড়েছে প্রায় ৭ হাজার, যা তিন বছরের মধ্যে রেকর্ড।
নীলফামারীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে এখন দৃশ্যটা ভিন্ন। তেল নিতে আসা বাইক চালকদের হাতে টাকার পাশাপাশি থাকছে ফুয়েল কার্ড। এই কার্ড পেতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স। যে নিয়মে জেলায় এখন বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহের হিড়িক।
বিআরটিএ-র তথ্য বলছে, গত এপ্রিলেই জেলায় লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন পড়েছে প্রায় ৭ হাজার। যা গত তিন বছরের যেকোনো সময়ের তুলনায় রেকর্ড। চালকদের এই সচেতনতায় যেমন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তেমনি বড় অংকের রাজস্ব জমা হচ্ছে সরকারি কোষাগারে। শুধু এপ্রিল মাসেই লার্নার ফি বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
ফুয়েল কার্ড দিয়ে তেল নিতে পেরে খুশি চালকরা। লাইসেন্সবিহীন ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের দৌরাত্ম্য কমায় স্বস্তি মিলেছে জনমনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং নাগরিক সচেতনতা একসাথে কাজ করলে সামাজিক শৃঙ্খলার পাশাপাশি দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।