কর ফাঁকি ও দুর্নীতি বন্ধে ডিজিটালাইজেশন গুরুত্ব পাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ-সিজিএস। সোমবার রাজধানীতে সিজিএসের এই আলোচনায় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকেরা।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বিগত সময়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। তাই কর ফাঁকি ও দুর্নীতি বন্ধে সব খাতে ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, অতীতের পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতিরও তেমন উন্নতি না হওয়ায় আগামী দুই বছর সময় কঠিন যাবে বলে সতর্ক করেন অর্থমন্ত্রী।

আলোচনায় বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনে এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে। এছাড়া বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’

অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এবারের বাজেট বিদেশি ঋণের ওপর তুলনামূলক বেশি নির্ভরশীল। ফলে রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’