ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে পাঁচ বছর মেয়াদি কর কাঠামো তৈরি করেছে সরকার। জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক সেমিনারে তিনি জানান, বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে আলোচকেরা বলেন, বাজেটের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ।
টানা চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। একদিকে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। অন্যদিকে, কমেছে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয় ক্ষমতা। এমন এক বাস্তবতায় দায়িত্ব নিয়েছে নতুন সরকার।
রাজধানীর সিরডাপে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি অর্জন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি- সব মিলিয়ে এবারের বাজেট বাস্তবায়ন হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, ‘ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নতুন অর্থবছরের বাজেট স্বস্তিদায়ক। তবে সামষ্টিক অর্থনীতি চাপে থাকলে বাজেট বাস্তবায়ন করা কঠিন। এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ খুব বেশি কাজে আসবে না।’
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘করের হার না বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির অর্থনৈতিক মডেলে যাচ্ছে সরকার। যেখানে বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা- র্যাপিড আয়োজিত বাজেট পরবর্তী এই সেমিনারে বক্তারা বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে হলে, বিনিয়োগ বৃদ্ধিই নয়, দরকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।



