অর্থনৈতিক সুফল বিবেচনা করেই এডিপিতে বরাদ্দ: বাণিজ্যমন্ত্রী

অতীতের মতো শুধু প্রকল্পের নামে অর্থ বরাদ্দ নয়, বরং অর্থনৈতিক সুফল হিসেব করেই উন্নয়ন কর্মসূচি নিতে চায় সরকার। বুধবার রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত আলোচনায় এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। 

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ লাখ ও নারী-প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়কে করমুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া স্টার্টআপ শূন্য কর সহ রপ্তানিতে প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। তবে এ খাতকে সুরক্ষা দিতে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ আরও বাড়ানোর দাবি এসএমই ফাউন্ডেশনের। 

ইআরএফের আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সৃজনশীল অর্থনীতির অবদান জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। অর্থনীতিতে গতি আনতে এসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এলডিসি উত্তরণের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন শর্ত পূরণ করেছে বাংলাদেশ। সময়সীমা পেছানোর আবেদন গৃহীত হলে সফলভাবে উত্তরণ সম্ভব।’

অন্যায্য কর কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতেই এবারের বাজেটে ন্যূনতম কর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে জানান এনবিআরের সদস্য মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। এসএমই খাতের বিকাশকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে দেশের অর্থনীতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হতে পারে বলে জানান বক্তারা।