সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত

সরকার ১২ কেজির এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সেই দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

সরকার প্রতি মাসে এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণ করলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দাম দিয়েই সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

রাজশাহীর খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিলার পর্যায় থেকেই বেশি দামে এলপিজি কিনতে হয়। পরিবহন ব্যয়, কমিশন ও সরবরাহ সংকটের কারণে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ডিলারদের দাবি, তারা নির্ধারিত দামের মধ্যেই বিক্রি করছেন।

বগুড়ায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, কোম্পানি থেকে নতুন মূল্য কার্যকরের নির্দেশনা না পাওয়ায় আগের দামেই বিক্রি করা হচ্ছে।

বরিশালে এখনো প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে এলপিজি কিনতে হচ্ছে। বাড়িতে সরবরাহের জন্য অতিরিক্ত ৫০ থেকে ১০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। ফলে একটি সিলিন্ডারের পেছনে মোট খরচ প্রায় ২ হাজার টাকায় পৌঁছাচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

সিলেটে ভোক্তাদের অভিযোগ, দাম কমানোর ঘোষণা এলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব নেই। তাদের ভাষ্য, পণ্যের দাম বাড়লে তা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়, কিন্তু দাম কমার সুবিধা সাধারণ মানুষ সময়মতো পান না।

গত বৃহস্পতিবার সরকার ভোক্তা পর্যায়ে ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১২ কেজির এলপিজির নতুন দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করে।