অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতে সংস্কার, করখাতে প্রবৃদ্ধিসহ সার্বিকভাবে আইএমএফ সন্তুষ্ট। তবে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আইএমএফের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি। সোমবার সচিবালয়ে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচী নিয়ে এ পর্যন্ত আলোচনায় সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে আইএমএফের দেওয়া শর্তগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সংস্থাটি নতুন রাজনৈতিক সরকারের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট।’
নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাই ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন আইএমএফ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন।
২০২৩ সালে আইএমএফের অনুমোদিত ঋণের পাঁচ কিস্তিতে প্রায় ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঋণের প্রায় ২০০ কোটি ডলার এখনো বকেয়া রয়েছে। অর্থছাড় নিয়ে প্রায় এক বছর আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ছাড় হয়নি। তাই পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া ঋণ কর্মসূচি বাদ দিয়ে নতুন করে আইএমএফের কাছে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হতে চায় বিএনপি সরকার।