বন্যায় নষ্ট হওয়া পণ্যের ক্ষতিপূরণ চান ব্যবসায়ীরা


নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে যুক্ত সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাধা দ্রুত দূর করতে নৌ-পরিবহনমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে দেশের শীর্ষ চার ব্যবসায়ী সংগঠন। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি সহায়তার দাবি জানিয়েছে তারা।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের যৌথ সাক্ষরে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আমদানি করা তুলা, সুতা, কাপড়, শিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক ও প্যাকেজিং সামগ্রী, খাদ্যপণ্য এবং অন্যান্য পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ জন্য প্রস্তুত পণ্যের শিপমেন্ট বিলম্বিত হওয়ায় রপ্তানি আদেশ বাতিল, মূল্যছাড়, বিলম্বজনিত জরিমানা এবং ব্যয়বহুল এয়ার শিপমেন্টের শঙ্কায় তারা সরকারের জরুরি সহায়তা চেয়েছেন। 

এদিকে বৃষ্টি কমায় ক্রমশ ব্যস্ততা বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। সোমবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও সেবা গ্রহীতাদের আনাগোনা বেড়েছে।

বন্দর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে মোট ৩৮টি জাহাজে কাজ চলছে। এর মধ্যে ১৯টি সিমেন্ট ক্লিংকারবাহী ও ১৩টি বিভিন্ন খাদ্যশস্যবাহী। এছাড়া লবন, তেল, চিনিসহ আরও কিছু পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে। বন্দরে আজ কন্টেইনার রয়েছে ৪৬ হাজার ৩০২ একক। রোববার বন্দর থেকে কন্টেইনার খালাস হয়েছে ২,৬৮৮ একক