জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) অধিবেশনে এলডিসি উত্তরণের সময় ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইকোসক অধিবেশনে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বৈঠকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল লি জুনহুয়া, জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন-এসক্যাপ) নির্বাহী সচিব ও আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক কান্নি উইগ্নারাজার সঙ্গে বৈঠকে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
মূলত স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশেরসামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, টেকসই ও নির্বিঘ্ন উত্তরণ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সরকারের সংস্কার কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের কাছে এ সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং ইউএন ডেসার প্রধান লি জুনহুয়া বাংলাদেশের উন্নয়নে এলডিসি উত্তরণপ্রক্রিয়া সফল ও টেকসই করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত সোমবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ইকোসকের প্রেসিডেন্ট লোক বাহাদুর থাপার সভাপতিত্বে অধিবেশনটি শুরু হয়। এদিন উত্তরণের বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা ১৪টি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহায়তা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। নজিরবিহীন রাজনৈতিক, সামষ্টিক অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও বৈশ্বিক অভিঘাতের কারণে বাংলাদেশ ও নেপাল স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময় আরও ৩ বছর, অর্থাৎ ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়।