দেশের বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি ও ঋণ ছাড়ের ধীরগতি নিয়ে সরকারের সাথে বৈঠক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল– আইএমএফ। বৈঠকে ঋণের ব্যয়, ঋণ পরিশোধের চাপ এবং কমে যাওয়া বাজেট সহায়তার কারণ জনতে চায় সংস্থাটি।
বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ– ইআরডি’র কর্মকর্তাদের সাথে আইএমএফ বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় কমে যাওয়ার কারণও জানতে চেয়েছে। বৈদেশিক ঋণ ঝুঁকির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বর্তমানে ‘লো-রিস্ক স্ট্যাবিলাইজেশন ফেজ’ থেকে ‘মিডিয়াম-রিস্ক অ্যাকসেলারেশন ফেজ’-এ প্রবেশ করছে বলে আইএমএফ প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তারা জানান, নমনীয় ঋণের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় বৈদেশিক ঋণ নেওয়া ক্রমেই ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। আগামী ৫ বছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার লাগবে বলেও জানানো হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ পোর্টফোলিওর প্রায় ৩০ শতাংশই ছিল ফ্লোটিং-রেট ঋণ। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে এ হার আরও বাড়বে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।