ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পর বন্ধ হয়েছে হরমুজ প্রণালী। বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। যদিও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান বলছেন, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে নিয়মিত পরিশোধিত তেল আমদানি হচ্ছে। তবে মজুতদারি ও বিশৃঙ্খলতা রুখতে জ্বালানি বিভাগ আবারো ফুয়েল পাস ব্যবহারের চিন্তা করছে।
ফেব্রুয়ারির শেষদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। তখন দেশে ডিজেলের মজুত নামে ১০-১২ দিনে। সতর্কতা হিসেবে, গেল মার্চ মাসে পাম্পে তেল বিক্রির সীমা বেধে দেয় সরকার। এপ্রিলের মাঝামাঝি দাম বাড়ানোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে থাকে।
সংকট থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার বিপিসিকে মজুত বাড়ানোর তাগিদ দেয়। বিপিসি চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান জানান, বর্তমানে ৫ সপ্তাহের প্রয়োজনীয় ডিজেল মজুত রয়েছে। একইভাবে বেড়েছে অকটেন, পেট্রোলের মজুতও। বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তির বাইরে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হচ্ছে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেলের কার্গো আসেনি। ফলে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে একমাসের মতো বন্ধ থাকে শোধনাগার। জুনে প্রথমবারের মতো হরমুজ এড়িয়ে পাইপলাইনে ক্রুড অয়েল জাহাজীকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করেছে বিপিসি।
বিপিসি জানায়, সারাদেশে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানগুলোর জায়গায় নতুন ২১ ট্যাঙ্ক স্থাপন ও বেসরকারি ট্যাঙ্ক ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যার মাধ্যমে আগামী বছর শেষে ডিজেল মজুত সক্ষমতা বেড়ে ৯০ দিনে উন্নীত হবে।