মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্যে পণ্যের দাম দ্বিগুণ, পরিবহনে চাঁদাবাজিও কারণ

কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির মতো অদৃশ্য খরচের কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমাজের সব শ্রেণির ওপর। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে গবেষণা সংস্থা সিপিডির এক সংলাপে এ মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।  

বাজারে সংকট না থাকলেও, বেশিরভাগ ভোগ্যপণ্যের দাম চড়া। চোখে পড়ে না সরকারি সংস্থার তদারকিও। যার সুযোগ নেয় মধ্যসত্বভোগীরা। দাম বৃদ্ধির কারণ নিজেদের গবেষণায় তুলে ধরে সিপিডি। চাল, আলু, পেঁয়াজসহ ১০ নিত্যপণ্য নিয়ে ৮১০টি বাজার ঘুরে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয় গবেষণায়। 

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন জানান, চালের গড় দাম ৫ হাত ঘুরে প্রায় দ্বিগুন বাড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৮ টাকা মুনাফা করে মিল মালিকরা। ডাল, কাঁচামরিচে বেশি মুনাফা করে শহরের আড়তদাররা। বেগুন-আলুর ক্ষেত্রে কারসাজি করে খুচরা বিক্রেতারা।

ক্যাব সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, বাজারে অস্থিরতার জন্য চাঁদাবাজিকে দায়ি করে ভোক্তা স্বার্থে কাজ করা সংগঠন-ক্যাব। সভাপতি বলেন, শুধু চাঁদাবাজির কারণেই পণ্যের দাম বেড়ে যায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। 

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, পণ্য পরিবহনে রাস্তাঘাটে চাঁদাবাজি রয়েছে বলে স্বীকার করেন খোদ বাণিজ্যমন্ত্রী। যা নিয়ন্ত্রণেরও আশ্বাস দেন তিনি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।