বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ইতিবাচক ফল দেখালেও দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করতে আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না এআই।
বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, প্রথাগত জরিপের পরিবর্তে এআই-ভিত্তিক জরিপে ২০ শতাংশ বেশি ভুল শনাক্ত করা হয়েছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিদিন ডায়াবেটিসজনিত চোখের সমস্যা বা ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিংয়ের হার প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
এছাড়াও নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ৬৮০ কোটি মানুষের জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব এবং সম্ভাবনা মূল্যায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক।
এদিকে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এআই প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে শক্তিশালী অবকাঠামো নির্মাণ, ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো এবং তুলনামূলক স্বল্প খরচে চলতে সক্ষম এমন ছোট আকারের এআই প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।