ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন চালু

চালু হলো ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ধউর ও আশুলিয়া প্রান্তের সার্ভিস লেন। কোনো টোল ছাড়াই চলবে যানবাহন। বুধবার লেন দুটি উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পুরো প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ শুরু হয় ২০২২ সালে। মূল এক্সপ্রেসওয়ের কাজের সময় যানজট ও ভোগান্তি কমাতে দুই পাশে ৩ দশমিক ৩১ কিলোমিটারের দুটি সার্ভিস লেনের পরিকল্পনা করা হয়।  

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবারে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ। একটিতে ধউর থেকে আশুলিয়া এবং অন্যটিতে আশুলিয়া থেকে ধউরের দিকে যান চলাচল করবে। লেন দুটি চালু হওয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে। এরই মধ্যে ৭২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। 

মন্ত্রী বলেন, (এক্সপ্রেসওয়ের) বাকি কাজের একটি বড় অংশ ডিসেম্বরের মধ্যে হয়ে যাবে। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ প্রায় সমাপ্তির কাছাকাছি জায়গায় চলে আসবে।

ধুলাবালি ও যানজটের ভোগান্তি শেষ হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। 

এক যাত্রী জানান, এই পার থেকে ওইপার যাওয়ার জন্য অনেক সুবিধা হবে আমাদের জন্য। আগে যেতে সময় লাগত দুই আড়াই ঘন্টা। এখন ৫-১০ মিনিটে যাওয়া যাবে।

স্থানীয় আরেক ব্যক্তি বলেন, আশুলিয়া থেকে ধউর পর্যন্ত এই রাস্তাটা সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল। এখন এই রাস্তা চালু হওয়ায় আমরা আশুলিয়া থেকে উত্তরা কিংবা মিরপুর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যেতে পারব।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। 

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করাই ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের উদ্দেশ্য। দুটি সার্ভিস লেন খুলে দেওয়া হলেও মূল প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৮ সালে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।