ব্রোকারেজ হাউজের প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে ডিএসই

পুঁজিবাজারে পাঁচ ব্রোকারেজ হাউজের প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে ডিএসইর ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড। প্রায় ১৮ হাজার বিনিয়োগকারীকে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ অর্থ দেওয়া শুরু হবে। 

মঙ্গলবার রাজধানীর ডিএসই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান কর্মকর্তারা।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে প্রতারণার শিকার পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউজের এমন ১৭ হাজার ৯২৫ বিনিয়োগকারীর পাশে দাঁড়িয়েছে ডিএসইর ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড-আইপিএফ। ফান্ড থেকে এরই মধ্যে ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। তবে ৫ লাখ টাকার বেশি পাওনা থাকা অবশিষ্ট ৫৯৩ জন বিনিয়োগকারীর অর্থ আদায়ের বিষয়টিও বিবেচনার কথা জানিয়েছে ডিএসই। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মশিউর, তামহা, বানকো, ক্রেস্ট এবং সালতা সিকিউরিটিজ জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা ও শেয়ার আত্মসাত করে। যাদের বিরুদ্ধে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুই মাস লাগতে পারে। এরমধ্যে ৯৭ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের টাকা পুরোটা পেয়ে যাবেন।’

শুধু ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ নয়, যেকোন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানায় ডিএসই।

ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড চেয়ারম্যান নাসরিন বেগম, ‘এটি কোনো অনুদান বা দয়া নয়। এটি আইন ও বিধি মোতাবেক পরিচালিত মিমাংসিত প্রক্রিয়া।’

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা প্রতিকারের সুযোগ থাকা জরুরি বলেও মনে করে ডিএসই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ভালো কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনতে কাজ করেছে ডিএসই।